ঢাকা, শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬

কাউন্সিলর জুকু খানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি আদালতের

ads

পটুয়াখালীর কলাপাড়া পৌরসভার কাউন্সিলর জাকি হোসেন জুকু খান ও তার দুই সহযোগির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।


মঙ্গলবার কলাপাড়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শোভন শাহরিয়ারের আদালত এই পরোয়ানা জারি করেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. ফেরদৌস মিয়া এ আদেশের সত্যতা স্বীকার করেন।


এর আগে ১৮ মার্চ ২০২০ শহরের রহমতপুর এলাকার মো. কামাল হোসেন বাদী হয়ে শহর যুবলীগ নেতা ও কলাপাড়া পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জাকি হোসেন জুকু খান এবং তার সহযোগী মোশারেফ হোসেন ও ফয়সালের বিরুদ্ধে আদালতে একটি নালিশি মামলা দায়ের করেন।


আদালত মামলায় বর্নিত অভিযোগের বিষয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন’কে (পিবিআই) অনুসন্ধান করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। এরপর এম এ সোবাহান, পুলিশ পরিদর্শক ও পিবিআই আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন।


 

মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত বছরের ১ মার্চ দুপুরে বাদী (কামাল হোসেন) ব্যাংক থেকে টাকা তোলার জন্য বাসা থেকে বের হন। এ সময় জুকু খান ও তার সহযোগীরা তাকে চড়-থাপ্পর, কিল-ঘুষি মারার পর টেনে হিঁচড়ে মোটরসাইকেলে অপহরণ করে জুকুর মালিকানাধীন খান এন্টারপ্রাইজে নিয়ে যায়।


সেখানে ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড কলাপাড়া শাখার হিসাব নং-৪৯০ এর অলিখিত ৫টি চেকে (নম্বর- ৮৫৪৪৯১৭, ৮৫৪৪৯১৯, ৮৫৪৪৯২০, ৮৫৪৪৯২৩ এবং ৮৫৪৪৯২৪) জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেয় এবং ৩টি অলিখিত রেফ কাগজে এবং ৩টি ১০০ টাকার নন জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নিয়ে বাদীকে খুন জখমের হুমকি দেয়।


বাদী স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়ে ওইদিনই কলাপাড়া থানায় এ বিষয়ে ৪৫ নম্বর সাধারণ ডায়েরি করেন। ২ মার্চ ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপক বরাবর লিখিতভাবে বাদী উক্ত হিসাবের লেনদেন বন্ধ করার জন্য আবেদন করেন। পরবর্তীতে ১ নং বিবাদী (জুকু খান) চেকগুলোর মধ্য থেকে চেক নং-৮৫৪৪৯১৭ দিয়ে এক কোটি পাঁচ লাখ টাকা এবং চেক নং-৮৫৪৪৯১৯ দিয়ে এক কোটি ৩৪ লাখ টাকা লিখে ব্যাংকে উপস্থাপন করেন। পরে ২ মার্চ পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় এবং লেনদেন বন্ধ থাকায় চেক দু’টি প্রত্যাখান করে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।








































































সূত্র : বাংলাদেশ জার্নাল

ads
ads
ads

Our Facebook Page